Description
Madhabkunda waterfall is one of the largest waterfalls in Bangladesh. It is situated in Barlekha thana in Moulvi Bazar District, Sylhet Division. The waterfall is a popular tourist spot in Bangladesh. Big boulders, surrounding forest, and the adjoining streams attracts many tourists for picnic parties and day trips.Geography and distance
It is Located at and about 200 ft (61 m) high. It is about five km away from Dakshinbagh railway station on the Kulaura-Shabajpur track and 350 km from Dhaka city.Journey to the waterfallJourney to the waterfall
Visitors can visit Madhabkunda either from Sylhet or Moulvibazar by road, or from Kulaura Junction by train.[1]
The journey to Madhabkunda itself is exotic. On the way visitors can
see the greenish beauty of tea garden, the hills and the zigzag road
through the hills. Rubber and lemon plantations form a beautiful
ladscape.[citation needed]
প্রকৃতির এক নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সিলেট
সিলেট বাংলাদেশের উওর-পূর্বে অবস্থিত একটি
প্রাচীন জনপদ। জৈন্তিয়া পাহাড়ের অপরূপ দৃশ্য, জাফলং-এর মনোমুগ্ধকর
সৌন্দর্য, ভোলাগঞ্জের সারি সারি পাথরের স্তূপ পর্যটকদের টেনে আনে বার বার।
দেশে যারা ভ্রমণ করতে চান তাদের অনেকেই সিলেটের কথা ভাবেন। কিন্তু যাবেন কিভাবে, থাকবেন কোথায়- এমন অনেক প্রশ্নই সামনে চলে আসে।
যাতায়াত:
ঢাকার কমলাপুর ও ক্যান্টনমেন্ট রেলস্টেশন
থেকে প্রতিদিন ৩টা ট্রেন ছাড়ে সিলেটের উদ্দেশে। ট্রেনের ভাড়াপ্রকারভেদে ১২০
থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত। আর সময় লাগবে ৭-৮ ঘণ্টা। ট্রেনে গেলে রাত ৯.৫০টার
উপবন এক্সপ্রেসে যাওয়াটাই সব চেয়ে ভালো। এছাড়া বাসেও যাওয়া যাবে। বাসে যেতে
চাইলে অনেক বাস আছে। এর মধ্যে শ্যামলি, হানিফ, সোহাগ, ইউনিক, গ্রীন লাইন
উল্লেখযোগ্য। ভোর থেকে শুরু করে রাত ১২.৩০টা পর্যন্ত এসব বাস পাবেন। বাসে
যেতে সময় লাগবে ৪ থেকে ৪ ঘন্টা ৩০ মিনিট। ননএসি ৩০০/৩৫০ টাকা। এসি ৯০০ টাকা
পর্যন্ত।
থাকবেন কোথায়:
সিলেটে রয়েছে বিভিন্ন মানের হোটেল, মোটেল,
কটেজ। পর্যটকরা তাদের পছন্দের যেকোন জায়গায় অবস্থান করতে পারে। সব মিলিয়ে
পরিবারের সবাইকে নিয়ে সিলেট ভ্রমণে আসলে ভ্রমণের আনন্দ আরও অনেকগুণ বেড়ে
যাবে । ফাইভস্টার হোটেল রোজভিউ ছাড়াও রয়েছে হোটেল ডালাস, ফরচুন গার্ডেন,
পর্যটন মোটেল, হোটেল অনুরাগ, হোটেল সুপ্রিম, হোটেল মেট্রো
ইন্টারন্যাশনাল। এছাড়া সিলেটে আপনি আপনার প্রয়োজন ও সামর্থ্য অনুযায়ী যে
কোনো ধরনের হোটেল পাবেন। এদের মধ্যেকয়েকটি পরিচিত হোটেল হল- হোটেল হিল
টাউন, গুলশান, দরগা গেইট, সুরমা, কায়কোবাদ ইত্যাদি।
সিলেটের দর্শনীয় স্থানগুলো:
শ্রী চৈতন্য দেব
ষোড়শ শতকে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকাদক্ষিনে পণ্ডিত জগন্নাথ মিশ্রের কৃতি সন্তান শ্রী চৈতন্য (বিশ্বম্ভর মিশ্র) বাঙালির আধ্যাত্মিক জীবনে এক বৈপ্লবিক যুগের সূচনা করেন । ব্রাহ্মণ্যবাদ ও উগ্র বর্ণবাদের বিরুদ্ধে শ্রী চৈতন্য পরিচালিত গণ বিপ্লবে বাংলার আপামর জনসাধারণ বিপুলভাবে সাড়া দিয়েছিলেন। শ্রী চৈতন্যের সমকালে এবং এর বহুকাল পূর্ব থেকে নবদ্বীপে ঢাকা দক্ষিণের বহু বেদজ্ঞ অধ্যায়ন কিংবা অধ্যাপনার নিমিত্তে বসবাস করতেন । ঢাকা দক্ষিণ রত্নগর্ভ আচার্য্য সে সময় নবদ্বীপে বসবাসকারী এক পণ্ডিত ছিলেন। তাঁর পুত্র যদুনাথ কবিচনদ্র প্রসিদ্ধ বৈষ্ণব পদকর্তা ছিলেন । তাঁর রচিত ‘পদকল্পতরু’ এক বিখ্যাত বৈষ্ণব কাব্য। পরবর্তীকালে ঢাকা দক্ষিণের প্রদ্যুন্ম মিশ্র (শ্রী চৈতন্যের জেঠতুতো ভাই) রচিত ‘শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্যেদয়াবলী’এবং জগজ্জীবন মিশ্র রচিত ‘‘মনোঃসন্তোষিনী’’ বৈষ্ণব সাহিত্য দুটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন।
ষোড়শ শতকে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকাদক্ষিনে পণ্ডিত জগন্নাথ মিশ্রের কৃতি সন্তান শ্রী চৈতন্য (বিশ্বম্ভর মিশ্র) বাঙালির আধ্যাত্মিক জীবনে এক বৈপ্লবিক যুগের সূচনা করেন । ব্রাহ্মণ্যবাদ ও উগ্র বর্ণবাদের বিরুদ্ধে শ্রী চৈতন্য পরিচালিত গণ বিপ্লবে বাংলার আপামর জনসাধারণ বিপুলভাবে সাড়া দিয়েছিলেন। শ্রী চৈতন্যের সমকালে এবং এর বহুকাল পূর্ব থেকে নবদ্বীপে ঢাকা দক্ষিণের বহু বেদজ্ঞ অধ্যায়ন কিংবা অধ্যাপনার নিমিত্তে বসবাস করতেন । ঢাকা দক্ষিণ রত্নগর্ভ আচার্য্য সে সময় নবদ্বীপে বসবাসকারী এক পণ্ডিত ছিলেন। তাঁর পুত্র যদুনাথ কবিচনদ্র প্রসিদ্ধ বৈষ্ণব পদকর্তা ছিলেন । তাঁর রচিত ‘পদকল্পতরু’ এক বিখ্যাত বৈষ্ণব কাব্য। পরবর্তীকালে ঢাকা দক্ষিণের প্রদ্যুন্ম মিশ্র (শ্রী চৈতন্যের জেঠতুতো ভাই) রচিত ‘শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্যেদয়াবলী’এবং জগজ্জীবন মিশ্র রচিত ‘‘মনোঃসন্তোষিনী’’ বৈষ্ণব সাহিত্য দুটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন।
অবস্থান: সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকা দক্ষিণ নামক স্থানে।
দূরত্ব: সিলেট শহর হতে ৩০ কি.মি।
যাতায়াত: সিলেট শহর হতে জকিগঞ্জ বা
বিয়ানীবাজার উপজেলাগামী যেকোনো বাস সার্ভিসে আপনি ঢাকা দক্ষিণ পর্যন্ত যেতে
পারবেন। তারপর মহা প্রভু শ্রী চৈতন্য দেবের বাড়ি যেতে আপনাকে ভ্যান বা
রিকশা নিতে হবে।
কোথায় থাকবেন: আপনাকে থাকতে হবে গোলাপগঞ্জ অথবা সিলেট শহরে।
জাফলং
প্রকৃতি কন্যা হিসেবে সারাদেশে এক নামে পরিচিত সিলেটের জাফলং। খাসিয়া জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত জাফলং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরুপ লীলাভূমি। পিয়াইন নদীর তীরে স্তরে স্তরে বিছানো পাথরের স্তূপ জাফলংকে করেছে আকর্ষণীয়। সীমান্তের ওপারে ইনডিয়ান পাহাড় টিলা, ডাউকি পাহাড় থেকে অবিরাম ধারায় প্রবাহমান জলপ্রপাত, ঝুলন্ত ডাউকি ব্রিজ, পিয়াইন নদীর স্বচ্ছ হিমেলপানি, উঁচু পাহাড়ে গহীন অরণ্য ও শুনশান নিরবতার কারণে এলাকাটি পর্যটকদের দারুণভাবে মোহাবিষ্ট করে। এসব দৃশ্যপট দেখতে প্রতিদিনই দেশি-বিদেশি পর্যটকরা ছুটে আসেন এখানে। প্রকৃতি কন্যা ছাড়াও জাফলং বিউটি স্পট, পিকনিক স্পট, সৌন্দর্যের রাণী- এসব নামেও পর্যটকদের কাছে ব্যাপক পরিচিত। ভ্রমণপিয়াসীদের কাছে জাফলং এর আকর্ষণই যেন আলাদা। সিলেট ভ্রমণে এসে জাফলং না গেলে ভ্রমণই যেন অপূর্ণ থেকে যায়।
প্রকৃতি কন্যা হিসেবে সারাদেশে এক নামে পরিচিত সিলেটের জাফলং। খাসিয়া জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত জাফলং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরুপ লীলাভূমি। পিয়াইন নদীর তীরে স্তরে স্তরে বিছানো পাথরের স্তূপ জাফলংকে করেছে আকর্ষণীয়। সীমান্তের ওপারে ইনডিয়ান পাহাড় টিলা, ডাউকি পাহাড় থেকে অবিরাম ধারায় প্রবাহমান জলপ্রপাত, ঝুলন্ত ডাউকি ব্রিজ, পিয়াইন নদীর স্বচ্ছ হিমেলপানি, উঁচু পাহাড়ে গহীন অরণ্য ও শুনশান নিরবতার কারণে এলাকাটি পর্যটকদের দারুণভাবে মোহাবিষ্ট করে। এসব দৃশ্যপট দেখতে প্রতিদিনই দেশি-বিদেশি পর্যটকরা ছুটে আসেন এখানে। প্রকৃতি কন্যা ছাড়াও জাফলং বিউটি স্পট, পিকনিক স্পট, সৌন্দর্যের রাণী- এসব নামেও পর্যটকদের কাছে ব্যাপক পরিচিত। ভ্রমণপিয়াসীদের কাছে জাফলং এর আকর্ষণই যেন আলাদা। সিলেট ভ্রমণে এসে জাফলং না গেলে ভ্রমণই যেন অপূর্ণ থেকে যায়।
সিলেটনগরী থেকে ৬২ কিলোমিটার উত্তর পূর্ব
দিকে গোয়াইনঘাট উপজেলায় জাফলং এর অবস্থান। জাফলংয়ে শীত ও বর্ষা মওসুমের
সৌন্দর্যের রূপ ভিন্ন। বর্ষায় জাফলং এর রূপ লাবণ্য যেন ভিন্ন মাত্রায় ফুটে
ওঠে। ধুলি ধূসরিত পরিবেশ হয়ে উঠে স্বচ্ছ। স্নিগ্ধ পরিবেশে শ্বাস-নিঃশ্বাসে
থাকে ফুরফুরে ভাব। খাসিয়া পাহাড়ের সবুজাভ চূড়ায় তুলার মতো মেঘরাজির বিচরণ
এবং যখন-তখন অঝোর ধারায় বৃষ্টি পাহাড়ি পথ হয়ে ওঠে বিপদ সংকুল-সে যেন এক
ভিন্ন শিহরণ। সেই সঙ্গে কয়েক হাজার ফুট ওপর থেকে নেমে আসা সফেদ ঝর্ণা ধারার
দৃশ্য যে কারোরই নয়ন জুড়ায়।
ইতিহাস ঘেটে জানা যায়, হাজার বছর ধরে
জাফলং ছিল খাসিয়া জৈন্তা-রাজার অধীন নির্জন বনভূমি। ১৯৫৪ সালে জমিদারি
প্রথা বিলুপ্তির পর খাসিয়া জৈন্তা রাজ্যের অবসান ঘটে। তারপরও বেশ কয়েক বছর
জাফলংয়ের বিস্তীর্ণ অঞ্চল পতিত পড়ে রয়েছিল। ব্যবসায়ীরা পাথরের সন্ধানে
নৌপথে জাফলং আসতে শুরু করেন। পাথর ব্যবসার প্রসার ঘটতে থাকায় গড়ে ওঠে নতুন
জনবসতি। আশির দশকে সিলেটের সাথে জাফলং এর ৫৫ কিলোমিটার সড়ক যোগাযোগ
প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর থেকে জাফলংয়ের নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের কথা সারা দেশে
ছড়িয়ে পড়ে। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের পাশাপাশি প্রকৃতিপ্রেমীরাও ভিড় করতে
থাকেন জাফলংয়ে। জাফলং এখন দেশের সেরা পর্যটনস্পট।
অবস্থান:
সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত। সিলেট জেলা সদর হতে সড়ক পথে দূরত্ব মাত্র ৫৬ কি.মি।
সিলেট থেকে যাতায়াত:
সিলেট থেকে আপনি বাস/ মাইক্রোবাস/ সিএনজি চালিত অটো রিকশায় যেতে পারেন জাফলংয়ে। সময় লাগবে ১ ঘণ্টা হতে দেড় ঘণ্টা।
ভাড়া:
বাস- জনপ্রতি ৫৫ টাকা মাইক্রোবাস- ১৭০০-২০০০/-টাকা সি এন জি চালিত অটো রিকশা: ৭০০/ টাকা।
কোথায় থাকবেন:
থাকার তেমন বেশি সুব্যবস্থা জাফলং এ নেই।
তবে যে কয়টি ব্যবস্থা আছেতার মধ্যে জেলা পরিষদের নলজুরী রেস্ট হাউস (থাকতে
হলে পূর্বে অনুমতি নিতে হবে), শ্রীপুর পিকনিক স্পট উল্লেখযোগ্য। কিছু
বোডিংয়ের ব্যবস্থা আছে। এছাড়া শ্রীপুর ফরেস্টে একটি বাংলো আছে পর্যটকদের
থাকার জন্য।
লালাখাল
স্বচ্ছ নীল জল রাশি আর দুধারের অপরূপ
সোন্দর্য, দীর্ঘ নৌ পথ ভ্রমণের সাধ যেকোনো পর্যটকের কাছে এক দুর্লভ
আর্কষণ।তেমনি এক নির্জন মনকাড়া স্থান লালাখাল।বাংলাদেশের সর্বোচ্চ
বৃষ্টিপাতের স্থান এবং রাতের সৌন্দর্যে ভরপুর এই লালাখাল সিলেট জেলার
জৈন্তাপুর উপজেলার সন্নিকটে অবস্থিত।সারি নদীর স্বচ্চ জলরাশির উপর দিয়ে
নৌকা অথবা স্পীডবোটে করে আপনি যেতে পারেন লালা খালে।যাবার পথে আপনার দু’চোখ
সৌন্দর্য দেখতে দেখতে ক্লান্ত হয়ে পড়বে কিন্ত সৌন্দর্য শেষ হবে না।৪৫
মিনিট যাত্রা শেষে আপনি পৌঁছে যাবেন লালখাল চা বাগানের ফ্যাক্টরি
ঘাটে।মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকবেন নদীর পানির দিকে।কী সুন্দর নীল, একদম
নীচে দেখা যায়।ভারতের চেরাপুঞ্জির ঠিক নিচেই লালাখালের অবস্থান।চেরাপুঞ্জি
পাহাড় থেকে উৎপন্ন এই নদী বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত।
কিভাবে যাবেন:
সিলেট শহর হতে লালাখাল যাবার জন্য আপনাকে
পাড়ি দিতে হবে ৩৫ কি.মি রাস্তা। আপনি অনেক ভাবে লালাখাল যেতে পারেন। বাস,
মাইক্রো, টেম্পু যোগে যেতে পারেন।
থাকবেন কোথায়:
লালাখালে থাকার তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই।
সাধারণত পর্যটকরা সিলেট শহর হতে এসে আবার সিলেট শহরে হোটেলে রাত কাটায়।
সাম্প্রতিক নাজিমগড় রিসোর্ট নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আধুনিক সুযোগ
সুবিধা সংবলিত পিকনিক স্পট থাকার চেষ্টা করতে পারেন।
হযরত শাহজালাল (র.) মাজার
হযরত শাহজালাল(র.) ছিলেন উপমহাদেশের একজন
বিখ্যাত দরবেশ ও পীর। সিলেট অঞ্চলে তার মাধ্যমেই ইসলামের প্রসার ঘটে।
সিলেটের প্রথম মুসলমান শেখ বুরহান উদ্দিনের ওপর রাজা গৌর গোবিন্দের
অত্যাচার এবং এর প্রেক্ষিতে হযরত শাহজালাল (র.) ও তাঁর সফরসঙ্গী ৩৬০
আউলিয়ার সিলেট আগমন ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। এ কারণে সিলেটকে ৩৬০
আউলিয়ার দেশ বলা হয়। কেউ কেউ সিলেটকে পূণ্যভূমি হিসেবে অভিহিত করেন।
কিভাবে যাবেন:
সিলেট রেলস্টেশন অথবা কদমতলী বাসস্ট্যান্ড
এ নেমে রিকশা বা সিএনজি অটোরিকশা যোগে মাজারে যাওয়া যায়। রিকশা ভাড়া ২০-২৫
টাকা, সিএনজি ভাড়া ৮০-১০০ টাকা। সুরমা নদী পার হয়ে মূল শহরে এসে মাজার এ
পৌঁছতে হয়। মাজার গেটের রোডে অনেকগুলো আবাসিক হোটেল রয়েছে।
শাহ পরাণের মাজার
শাহ পরাণের মাজার সিলেট শহরের একটি
পুণ্যতীর্থ বা আধ্যাত্মিক স্থাপনা। যা হচ্ছে ১৩০৩ খ্রিস্টাব্দে মধ্যপ্রাচ্য
হতে বাংলাদেশে আসা ইসলাম ধর্ম প্রচারক শাহ জালালের অন্যতম সঙ্গী অনুসারী
শাহ পরাণের সমাধি।এটি সিলেট শহরের পূর্ব দিকে খাদিম নগর এলাকায় অবস্থিত।
শাহ জালালের দরগাহ থেকে প্রায় ৮ কি.মি. দূরত্বে শাহ পরাণের মাজার অবস্থিত।
শাহ জালালের দরগাহর মতো এ মাজারেও প্রচুর দর্শনার্থীর আগমন ঘটে। ঐতিহাসিক
মুমিনুল হকসহ অনেকেই লিখেছেন; সিলেট বিভাগ ও ভারতের বিভিন্ন এলাকায় শাহ
পরাণের দ্বারা মুসলিম ধর্ম বিশ্বাস ও সংস্কৃতির প্রচার ও প্রসার হয়েছে।
মালনীছড়া চা বাগান
চা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় পানীয়। সকালে এক
কাপ গরম চা না পেলে বাঙালি সমাজের যেন একদম চলে না। বাংলাদেশের যে কয়টি
অঞ্চলে চা বাগান পরিলক্ষিত হয় তার মধ্যে সিলেট অন্যতম। সিলেটের চায়ের রঙ,
স্বাদ এবং সুবাস অতুলনীয়। উপমহাদেশের প্রথম চা বাগান সিলেট শহরে অবস্থিত।
নাম মালনীছড়া। ১৮৪৯ সালে এই চা বাগান প্রতিষ্ঠিত। বর্তমানে বেসরকারি
তত্ত্বাবধানে চা বাগান পরিচালিত হয়ে আসছে। ১৫০০ একর জায়গার ওপর এই চা
বাগানটি অবস্থিত। চা বাগানের পাশাপাশি বর্তমানে এখানে কমলা ও রাবারের চাষ
করা হয়।
মালনীছড়া চা বাগান ছাড়াও সিলেটে লাক্ষাতুড়া চা বাগান, আলী বাহার চা বাগান, খাদিম, আহমদ টি স্টেট, লালাখাল টি স্টেট উল্লেখযোগ্য।
অবস্থান:
মালনীছড়া এবং লাক্ষাতুড়া চা বাগান দুইটিই
সিলেট শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত। শহরের কেন্দ্রস্থল জিন্দাবাজার পয়েন্ট হতে
গাড়িতে মাত্র ১৫ মিনিটের পথ।
কী কী দেখবেন:
পাহাড়ের গায়ে চা বাগানের দৃশ্য, ছায়া বৃক্ষ, চা শ্রমিকদের আবাসস্থল, কমলার বাগান, রাবার বাগান, চা তৈরির প্রক্রিয়া।
কোথায় অবস্থান করবেন: সাধারণত চা বাগানে থাকার তেমন কোনো সুব্যবস্থা নেই। আপনাকে সিলেট শহরেই থাকতে হবে।
কিভাবে যাওয়া যায়:
সিলেট শহর থেকে রিকশাযোগে অথবা অটোরিকশা
বা গাড়িতে বিমানবন্দর রোডে চা বাগানটি পাওয়া যাবে। গাড়িতে যেতে আম্বরখানা
পয়েন্ট থেকে ১০ মিনিটের পথ। রিকশাযোগে যেতে আধঘণ্টা লাগবে।
জাকারিয়া সিটি
দেশে যারা ভ্রমণ করেন তাদের অনেকেই সিলেট ভ্রমণ করেন। সিলেট ভ্রমণে দু’টি মাজারসহ মূলত টার্গেট থাকে জাফলং আর মাধবকুন্ড দর্শনের। সিলেটে এসে যেখানে থাকবেন সেটাও যদি হয় দেখার মতো, সময় কাটানোর মতো। তাহলেতো মজাই আলাদা।তেমনই চমৎকার প্রকৃতির কাছাকাছি থাকার সুযোগ করে দিয়েছে জাকারিয়া সিটি।
সিলেট শহর থেকে প্রায় ১১ কিমি দূরে জাফলং রোডে খাদিমনগরে ৩টি টিলার সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে এই সিটি। প্রায় ১৭ একরের এই হলিডে রিসোর্টে রয়েছে থ্রিস্টার মোটেল, শিশুপার্ক, অডিটোরিয়াম, মিনি চিড়িয়াখানা ইত্যাদি। প্যাকেজ ট্যুরে জাফলং, মাধবকুন্ড, শ্রীমঙ্গল, ছাতক, হাওর ও মাজারে ভ্রমণের ব্যবস্হা আছে। দিন প্রতিরুম ভাড়া বাবদ খরচ হবে ২৮৫০/- থেকে ১২৬০০/- টাকা।
দেশে যারা ভ্রমণ করেন তাদের অনেকেই সিলেট ভ্রমণ করেন। সিলেট ভ্রমণে দু’টি মাজারসহ মূলত টার্গেট থাকে জাফলং আর মাধবকুন্ড দর্শনের। সিলেটে এসে যেখানে থাকবেন সেটাও যদি হয় দেখার মতো, সময় কাটানোর মতো। তাহলেতো মজাই আলাদা।তেমনই চমৎকার প্রকৃতির কাছাকাছি থাকার সুযোগ করে দিয়েছে জাকারিয়া সিটি।
সিলেট শহর থেকে প্রায় ১১ কিমি দূরে জাফলং রোডে খাদিমনগরে ৩টি টিলার সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে এই সিটি। প্রায় ১৭ একরের এই হলিডে রিসোর্টে রয়েছে থ্রিস্টার মোটেল, শিশুপার্ক, অডিটোরিয়াম, মিনি চিড়িয়াখানা ইত্যাদি। প্যাকেজ ট্যুরে জাফলং, মাধবকুন্ড, শ্রীমঙ্গল, ছাতক, হাওর ও মাজারে ভ্রমণের ব্যবস্হা আছে। দিন প্রতিরুম ভাড়া বাবদ খরচ হবে ২৮৫০/- থেকে ১২৬০০/- টাকা।
মাত্র ৫০/- টাকা জনপ্রতি টিকেট কেটে আপনি পুরো এলাকা ঘুরে দেখতে পারেন। আর শিশুরা সাথে থাকলে তাদের আনন্দটা হবে সীমাহীন।
মাধবকুণ্ড ইকোপার্কঃ
সিলেটের মৌলভীবাজার জ়েলারবড়লেখা উপজেলার
কাঁঠালতলিতে অবস্থিত। পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে অন্যতম বিখ্যাত এই স্থানটিতে
বর্তমানে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের রেস্টহাউজ ও রেস্টুরেন্ট রয়েছে। এই
ইকোপার্কের অন্যতম আকর্ষণ হলো মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত, পরিকুণ্ড জলপ্রপাত, শ্রী
শ্রী মাধবেশ্বরের তীর্থস্থান এবং চা বাগান।
হাকালুকি হাওরঃ
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ হাওর।এর আয়তন ১৮,১১৫
হেক্টর, তারমধ্যে শুধুমাত্র বিলের আয়তন ৪,৪০০ হেক্টর। ভূতাত্ত্বিকভাবে এর
অবস্থান উত্তরে ভারতেরমেঘালয় পাহাড় এবং পূর্বে ত্রিপুরা পাহাড়ের
পাদদেশে। ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যের কারণে উজানে প্রচুর পাহাড় থাকায়
হাকালুকি হাওরে প্রায় প্রতি বছরই আকষ্মিক বন্যা হয়। এই হাওরে ৮০-৯০টি
ছোট, বড় ও মাঝারি বিল রয়েছে। শীতকালে এসব বিলকে ঘিরে পাখিদের বিচরণে মুখর
হয়ে উঠে গোটা এলাকা
সিলেটে দর্শনীয় স্থানের তালিকা:
১। জাফলং (জিরো পয়েন্ট, মারি নদী, চা বাগান, খাসীয়া পল্লী)
২। হযরত শাহজালাল (রা.) ও হযরত শাহ পরাণ(রা.) এর মাজার শরীফ
৩। জৈন্তাপূর (পুরানো রাজবাড়ী)
৪। মাধব কুন্ড ও পরীকুন্ড জলপ্রপাত
৫। শ্রীমঙ্গল (চা বাগান, লাওয়াছরা বন, মাধব পুর লেক)
৬। লালাখাল
৭। তামাবিল
৮। হাকালুকি হাওড়
৯। কীন ব্রিজ
১০। ভোলাগঞ্জ
১১। মহাপ্রভু শ্রী চৈত্যনো দেবের বাড়ি
১২। হাছন রাজা জাদুঘর
১৩। মালনী ছড়া চা বাগান
১৪। ড্রিমল্যান্ড পার্ক
১৫। আলী আমজাদের ঘড়ি
১৬। জিতু মিয়ার বাড়ি
১৭। মুনিপুরী রাজবাড়ি
১৮। মুনিপুরী মিউজিয়াম
১৯। শাহী ঈদগাহ
২০। ওসমানী শিশু পার্ক
২১। হামহাম জলপ্রপাত
২২। সাতছড়ি অভয়ারণ্য
২৩। রেমা উদ্দ্যান
২৪। এশিয়ার বৃহত্তম গ্রাম বানিয়াচং
২৬। বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম এর বাড়ি
২৭। মির্জাপুর ইস্পাহানী চা বাগান
২৮। বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট
২৯। নীল কন্ঠ ( ৭ রংঙের চা)
এআর
No comments:
Post a Comment